Saturday, November 10, 2018

এলার্জির সহজ চিকিৎসা | এলার্জি থেকে সহজেই মুক্তি

কোন খাদ্যদ্রব্য গ্রহণ বা কোন জিনিসের সংস্পর্শে শরীরে যে অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া উৎপন্ন হয় তারই নাম এলার্জি। মানুষের শরীরে একটি রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা বা ই-মিউন সিস্টেম আছে। কোন কারণে এই ই-মিউন সিস্টেমে গণ্ডগোল দেখা দিলে এলার্জির বহির্প্রকাশ ঘটে।  ঘরের ধুলাবালি, ফুলের ঘ্রান, গরুর মাংস, চিংড়ি, ইলিশ, গরুর দুধ, বেগুন ইত্যাদি সাধারন ব্যাপারে গা চুলকানি শুরু হলে অথবা চামড়ায় লাল লাল চাকা হয়ে ফুলে ওঠলে ধরে নিতে হবে আপনার এলার্জি আছে।
বন্ধুরা এলার্জির যন্ত্রণা যে কতোটা তীব্র তা শুধুমাত্র ভুক্তোভুগীরাই জানেন। যন্ত্রণাদায়ক এই এলার্জির কারণে খাবার তালিকা থেকে বাদ দিতে হয় অনেক প্রিয় খাবারও। বন্ধুরা আমরা চাইলে ঘরোয়া উপায়ে এই এলার্জিকে চিরতরে বিদায় করতে পারি।


বন্ধুরা আজ আপনাদের জানাবো কিভাবে ঘরোয়া উপায়ে এলার্জি কে চিরতরে বিদায় করবেন।

কয়েক ভাবে এলার্জির চিকিৎসা করা যায়
চিকিৎিসা – 1
কিছু খাওয়ার পর দেহে চাকা চাকা হয়ে ফুলে ওঠে, লাল হয়, এক্ষেত্রে নিমপাতা, হলুদ ও আমলকীর মিশ্রণ অত্যন্ত কার্যকরী
নিমপাতার গুড়ো এক ভাগ, কাচা হলুদ শুকিয়ে গুড়ো করে সেটা দুইভাগ, গুকনো আমলকী তিনভাগ এক সঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে । এই মিশ্রণ থেকে একগ্রাম মাত্রায় নিয়ে সকালে খালি পেটে কয়েকদিন খেলে এলার্জি দুর হবে।

চিকিৎসা-2
খুব ছোট বয়সে এলার্জি হতে দেখা যায় না। যে বয়স থেকে শুক্রবহ স্রোত শরীরে সক্রিয় হতে থাকে তখন থেকেই এই রোগ প্রকাশ পেতে থাকে।
এক্ষেত্রে উচ্ছে করোল্লা রস করে দুবেলা দু-চামচ করে খেতে হবে। তাহলে আর এলার্জির ভয় থাকবে না।

চিকিৎসা -3
এক ধরনের এলার্জি হয় তাতে সারা শরীরে মশা কামড়ানোর মত ফুলে ওঠে এবং চুলকাতে থাকে। এই ক্ষেত্রে পঞ্চাশ মিলিগ্রাম তামাক পাতা গুড়ো করে তিন ঘন্টা অন্তর পানি সহ দুবার বা তিনবার খেলে এ থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়।

চিকিৎসা-4
বেলপাতার রস গোল মরিচ চুর্ণ সহ খেলে এলার্জি নিবারিত হয়। তাতে অর্শ ও কামলা রোগেরও উপকার পাওয়া যায়।

চিকিৎসা-5

আমলকী চুর্ণ ষাটগ্রাম লৌহ চুর্ণ ত্রিশ গ্রাম যষ্ঠিমধু চুর্ণ ষোল গ্রাম একত্রে মিশিয়ে আমলকীর রসের সাথে সাতদিন ঢাকনা দিয়ে রোদের তাপে শুকিয়ে নিতে হবে। এই রস ঘি ও মধু সহ খাবারে আগে খেতে হবে। এতে এলার্জি ভাল হবে এবং ভবিষ্যৎও এলার্জি হবে না।

চিকিৎসা-6
জামীর লেবুর রস সকাল দুপুর ও সন্ধ্যাবেলা পান করলে অম্লরোগ ও পিত্ত ঘটিত রোগ প্রশমিত হয়।

চিকিৎসা-7


কুলেখাড়া, কুমুল, সজিনাছাল, ও উইমাটি গোমুত্রে পেষণ করে তারপর আগুন সামান্য গরম করে শরীরের মালিশ করতে হবে । এতে শরীরের চাকা চাকা ফেলা ও চুলকানি নিবারিত হবে।

Friday, October 12, 2018

মেহেদি পাতার ঔষুধি গুনাবলি

শহর বা গ্রামে সাধারণত বেড়ার ধারে মেহেদি গাছ লাগানো হয়। এ ফুলের মৃদু সুবাশ একটা মত্ততা আনে। আমারা বেশি ভাল লোকেই জানি মেহেদি পাতা শুধু হাত সাজানো ও চুল কালার করতে ব্যবহার হয়। কিন্তু মেহেদি পাতার রয়েছে হাজারো ওষুধি গুনাবলী।

পায়োরিয়া রোগে :
মেহেদি পাতা তুলে এনে 3 কাপ পানি দিয়ে সিদ্ধ করতে বসান। আধা কাপ পানি অবশিষ্ট থাকতে নামিয়ে ছেকে নিয়ে, তার সাথে কিছুটা খয়ের গুড়া করে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। তারপর সেটা দাতের মাড়িতে লাগালে পায়োরিয়া  রোগ সেরে যাবে।

কানে পুঁজ হলে:
মেহেদি পাতার রস করে কানে 2 ফোটা করে কয়েকদিন দিলে কানের পুজ সেরে যায়।

চুল রং করতে:

মেহেদি প্রাকৃতিকভাবে রঙিন করে চুল। ধূসর চুল রং করতে ব্যবহৃত হয় মেহেদি। আবার কালো চুলের রং আরও কালো করতেও মেহেদির জুড়ি নেই।

চুলের গোড়া মজবুত করতে:

মেহেদি চুলের গোড়া শক্ত করে চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে। তবে খুব ঘন ঘন মেহেদি লাগাবেন না। এতে চুল রুক্ষ হয়ে যেতে পারে।

চুলের উজ্জ্বলতা বাড়াতে :
মেহেদি চুলে নিয়ে আসে জৌলুস। মেহেদির সঙ্গে ডিম ও তেল মিশিয়ে চুলে লাগান। আধা ঘণ্টা পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চুল হবে ঝলমলে ও সুন্দর।

মুখ ও গায়ের চামড়া কুচকালে :
যদি কারও গায়ের চামড়া অকালে কুচকে  যায় বা ঢিলে হয়ে ঝুলে যায়, সে  ক্ষেত্রে  ঘিয়ে মেহেদি পাতার রস মিশিয়ে গায়ে বা মুখে মাখলে এ দোষ থাকবে না।

কাঁধে ব্যথা হলে:
কাঁধে ব্যথা হলে বা বেদনা হলে মেহেদি পাতার রস নিয়ে সরিষার তেলে মিশিয়ে কাধে বেদনার স্থানে মালিশ করবেন। ব্যথা কমে যাবে।

চুল পড়লে :
মেহেদি পাতার রস ও একটি হরিতকী থেতো করে এক সাথে আধাপোয়া পানিতে অথবা 2 কাপ পানিতে সিদ্ধ করুন। সিকিকাপ পানি অবশিষ্ট থাকতে নামিয়ে ছেকে নিন। এই রস সপ্তাহে 2 দিন মাথায় মাখুন চুল পড়া বন্ধ হবে।

Thursday, March 15, 2018

মাথা ব্যথা কমার যাদুকরি ঔষুধ দেখুন

মাথা থাকলে যে মাথা ব্যথা হবে এটাই স্বাভাবিক। সারাদিন কাজের পর বাড়ি এসে দেখলেন আপনার মাথাটি ততক্ষণে ধরে গিয়েছে।মাথা যন্ত্রণায় ছিঁড়ে যাচ্ছে, কিন্তু মাথা ব্যথা নিয়েই করে ফেলতে হল সব কাজ। অনেকে মাথা ব্যথা হলেই চটপট নানারকম পেনকিলার খেয়ে ফেলেন কোনো ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই। যখন তখন পেনকিলার খেয়ে ফেলার ‘সুফল’ আজ না হলেও পরে একদিন বুঝতে পারবেন ঠিকই। আর আমাদের আজকালকার যা জীবনযাত্রার ধারা, তাতে স্ট্রেস, টেনশন তো এড়াতে পারবেনই না। মাইগ্রেন, সাইনাসও আজকাল ঘরে ঘরে। ফলে মাথা ধরাও থাকবে আপনারই সাথে। তাহলে কি উপায়? আসুন জেনে নেওয়া যাক তারই কয়েকটা।

আদা

মাথা ব্যথার আরেকটা অমোঘ ওষুধ হল আদা যা মাথা ব্যথা থেকে আপনাকে প্রায় নিমেষে মুক্তি দিতে পারে। মস্তিষ্কের রক্তবাহের প্রদাহ কমিয়ে আদা আপনার মাথা ব্যথা কমায়। আর যেহেতু আদা পরিপাকে সাহায্য করে, তাই মাইগ্রেনের সময় যে বমিভাব হয়, আদা তাকেও কমায়। মাথা ব্যথা করলে আদা দিয়ে চা করে তো খেতে পারেনই, তাছাড়া সমান পরিমাণ আদা ও পাতিলেবুর রস একসাথে মিশিয়ে খান। উপকার পাবেন।

মাথা ব্যথা সম্পকে আরো জানতে ভিডিও টি দেখতে পারেন


পিপারমেন্ট তেল

মাথা ব্যথা করলে কপালে পিপারমিন্ট তেল লাগিয়ে দেখুন। তাড়াতাড়ি আরাম পাবেন। পিপারমিন্ট তেলের সুন্দর গন্ধ মাথার জমে যাওয়া রক্তবাহে রক্ত সঞ্চালনে সাহায্য করে। পিপারমিন্টের তেল ত্বককে ঠাণ্ডা করে রিফ্রেশ করে ও এতে থাকা মেন্থল কপালে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে মাথা ব্যথার থেকে মুক্তি দেয়। এছাড়া পেশীর সংকোচনে বাধা দিয়ে পিপারমিন্ট তেল মাথা ধরাকে কমিয়ে দেয়।

ম্যাগনেশিয়াম

মাথা ধরার একেবারে মোক্ষম ওষুধটি হল এই ম্যাগনেশিয়াম। সাইনাস, মাইগ্রেনের মতো সিরিয়াস মাথা ব্যথার অসুখ যদি আপনার থেকে থাকে, তাহলে সেসব থেকে কিন্তু মুক্তি মিলতে পারে এই ম্যাগনেশিয়ামেই। ম্যাগনেসিয়াম ট্যাবলেট তো খেতে পারেনই, পেনকিলারের থেকে সবদিক থেকেই তা নিরাপদ। ম্যাগনেসিয়াম ‘ব্রেন সিগনালিং’ যা ‘কর্টিকাল স্প্রেডিং ডিপ্রেশন’ নামে পরিচিত, যা মাথা ব্যথার সময় দেখার ও অনুভুতির তফাৎ ঘটিয়ে দেয়, তাকে আটকায়। ফলে মাথা ব্যথার সম্ভাবনা কমে। দিনে ২০০-৬০০ মিলিগ্রাম করে ম্যাগনেসিয়াম যুক্ত খাবার খেতে পারলে দেখবেন ঘন ঘন মাথা ব্যথার প্রবণতা অনেক কমে গেছে। বেশী করে ফাইবার যুক্ত খাবার খান। আর বিনস, হোল গ্রেন জাতীয় খাবার, বাদাম, ব্রকোলি, ও সবুজ পাতাওয়ালা শাক খান। এছাড়া দুগ্ধজাত খাবার, চকোলেট, মাংস, কফিতেও ম্যাগনেসিয়াম থাকে।

ভিটামিন বি


মস্তিষ্কে ‘ফিল গুড’ কেমিক্যাল সেরাটোনিনের অভাব হলে অনেক সময় মাইগ্রেন জাঁকিয়ে বসতে পারে। ভিটামিন বি মস্তিষ্কে এই সেরাটোনিন উৎপাদনে বড় ভূমিকা নেয়। ভিটামিন বি, যা ভিটামিন বি কমপ্লেক্স নামে পরিচিত তা মাথায় রক্ত চলাচল বাড়ায়। ভিটামিন বি-২ মাইগ্রেনকেও কমায়। স্টাডি থেকে জানা গেছে দিনে ৪০০ মিলিগ্রাম করে ভিটামিন বি যদি আপনি খান তাহলে মাথা ব্যথার ক্ষেত্রে উপকার পেতে পারেন। তাছাড়া চীজ, আমন্ড, তিল ইত্যাদি ভিটামিন বি যুক্ত খাবার রোজ বেশী  করে খাবার অভ্যেস করুন।

দারচিনি

মাথা ধরা কমাতে দারচিনিকে ‘মিরাকল’ ওষুধ বলা হয়। মাথা ব্যথা  করলে দারচিনি গুঁড়ো করে জল দিয়ে পেস্ট বানিয়ে কপালে লাগিয়ে রাখুন। ৩০ মিনিট পরে হালকা গরম জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন মাথা ব্যথা জাস্ট ভ্যানিশ হয়ে গেছে।

ল্যাভেন্ডার তেল

ল্যাভেন্ডার এসেনশিয়াল অয়েলের সুন্দর কিন্তু মাথা ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। মাইগ্রেনের ব্যথাতেও ল্যাভেন্ডার তেল উপকারী। তুলোয় অল্প  ল্যাভেন্ডার এসেনশিয়াল অয়েল নিয়ে নাকের কাছে এনে গন্ধ শুঁকুন। তাছাড়া ফুটন্ত জলে ল্যাভেন্ডার এসেনশিয়াল অয়েল দিয়ে ভাপও নিতে পারেন। বা বাদাম তেলের সঙ্গে মিশিয়ে কপালে মালিশও করতে পারেন। দেখবেন কেমন আরাম পান

তুলসী

তুলসী অ্যানালজেসিক হিসেবে কাজ করে। তুলসীর তেল পেশীকে রিল্যাক্সে সাহায্য করে। টেনশন বা পেশী শক্ত হয়ে যদি মাথা ব্যথা করে আপনার, তাহলে তুলসীর তেল আপনার কাজে লাগবে। তিন বা চারটে তুলসীপাতা দিয়ে চা বানিয়ে খান। চিনির বদলে মধু দিন। দেখবেন ফল পাচ্ছেন। এছাড়া আপনি কাঁচা তুলসীপাতা শুধু চিবিয়েও খেতে পারেন। দেখবেন কাজ হচ্ছে।

বরফ

বরফ কিন্তু সমস্ত রকম প্রদাহকে দূর করে। তাছাড়া বরফের ঠাণ্ডাভাব ব্যথার অনুভুতিকে মরিয়ে দেয়। তাই মাথা ব্যথা করলে ফ্রিজ থেকে বরফ বার করে ন্যাকড়ায় বেঁধে কপালে ঘষুন। আরামও পাবেন। মাথা ব্যথাও ভ্যানিশ হয়ে যাবে।

Thursday, March 1, 2018

পেটের চর্বি কমার ব্যায়াম | এক মাসে পেটে চর্বি শেষ

পেটের অতিরিক্ত চর্বিতে পছন্দের জামাটাই পরতে পারছেন না? একটু কষ্ট করুন, আর রোজ সক্কাল সক্কাল উঠে না হয় এই ব্যায়ামগুলো করে ফেলুন। একমাসে দেখবেন ভুঁড়ি ভ্যানিশ!

একটু বেশী কয়েকদিন ভালো-মন্দ খেলেন কি রক্ষে নেই। আপনার তলপেটে জমতে শুরু করলো ফ্যাট। আর ভুঁড়ি যদি একবার উঁকি মারতে শুরু করে, তাহলেই কিন্তু বিপদ। ভাবুন তো, আপনার এক আলমারি ভর্তি অতো যে প্রিয় জামাকাপড়, একটাও পরতে পারবেন না। আর তাছাড়া বেঢপ ভুঁড়িতে কিন্তু আপনার স্টাইলেরও একদম বারোটা বেজে যাবে।

তাছাড়া ডায়েট কন্ট্রোল তো অনেক করলেন। এবার নাহয় ডায়েট কন্ট্রোলের সাথে সাথে হালকা ব্যায়াম করতেও শুরু করুন। তবেই না আপনার পেটের চর্বি কমবে তাড়াতাড়ি! তা কোন কোন ব্যায়াম করবেন পেটের চর্বি কমাতে বুঝতে পারছেন না তো? আজকের আর্টিকলে রইলো তারই খোঁজ-খবর।


১. ক্রাঞ্চেস
আপনার পেটের চর্বি যদি সহজে আর খুব তাড়াতাড়ি কমাতে চান, তাহলে ট্রাই করুন ক্রাঞ্চেস। সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যেই দেখবেন আগের মতো স্লিম অ্যান্ড সেক্সি কোমর ফিরে পেয়েছেন।
পদ্ধতি

১. মাটিতে একটা ম্যাট পেতে সোজা হয়ে শুয়ে পড়ুন। এবার হাঁটু ভাঁজ করে পায়ের পাতা মাটিতে রাখুন। বা ছবির মতো ৯০ ডিগ্রি কোণ করেও রাখতে পারেন।

২. এবার হাত দুটো মাথার পেছনে ছবির মতো করে রাখুন। বা বুকের ওপরও রাখতে পারেন।

৩. এবার জোরে শ্বাস নিয়ে কোমরটাকে হালকা করে মাটি থেকে ওপরে তুলুন, তারপর নিশ্বাস ছেড়ে দিন।

৪. আবার নর্মাল পোজিশনে আসুন। জোরে শ্বাস নিয়ে একইভাবে আবার করুন।

৫. প্রথমে ১০ বার করুন। তারপর দুটো সেটে ১০ বার করে আস্তে আস্তে সময় বাড়ান।

রোজ সকালে উঠে নিয়ম করে মিনিট পাঁচেক সময় দিয়ে এই ক্রাঞ্চেস করুন। পেটে চাপ পড়ে দেখবেন সব ফ্যাট নিমেষে বার্ন হয়ে যাবে। আর বেশী তাড়াহুড়ো কিন্তু করবেন না। তাহলে ঘাড়ে চাপ পড়ে ব্যথা হতে পারে।

২. টুইস্ট ক্রাঞ্চেস
নর্মাল ক্রাঞ্চেসের পর আপনি কিন্তু এই টুইস্ট ক্রাঞ্চেস ট্রাই করতেই পারেন। এতেও কিন্তু পেটে চাপ পড়ে, ফলে পেটের চর্বি খুব তাড়াতাড়ি বার্ন হয়।

পদ্ধতি

১. মাটিতে শুয়ে আপনার হাত দুটো মাথার পেছনে রাখুন। নর্মাল ক্রাঞ্চের মতোই হাঁটু ভাঁজ করে পায়ের পাতা মাটিতে রাখুন।

২. এবার ডান কাঁধ তুলে আস্তে আস্তে বাঁ দিকে ঘুরুন, এইসময় আপনার শরীরের বাঁ দিক যেন মাটিতেই থাকে। একইভাবে আবার বাঁ কাঁধ তুলে আস্তে করে ডান দিকে ঘুরুন। এভাবেই টানা ১০ বার করুন।

রোজ সকালে উঠে এটা দুটো সেটে ১০ বার করে করুন। আর হ্যাঁ, নিয়ম করে করতে কিন্তু ভুলবেন না।

৩. বাই-সাইকেল ব্যায়াম
পেটের চর্বি কমাতে চাইলে সাইক্লিং করুন। আর সাইক্লিং যদি না করতে পারেন, তাহলে ঘরে বসে করে ফেলুন এই বাই-সাইকেল ব্যায়াম। দেখবেন দারুণ উপকার পাবেন।

পদ্ধতি

১. মাটিতে সোজা হয়ে শুয়ে পড়ুন। এরপর ক্রাঞ্চেসের সময় হাত যেমন করে রাখেন, সেরকম করেই হাত রাখুন।

২. এবার বাঁ পা-কে দূরে রেখে ডান হাঁটুকে বুকের কাছে আনুন। এরপর ডান পা-কে দূরে রেখে বাঁ হাঁটুকে বুকের কাছে আনুন। এইভাবে সাইক্লিং করার মতো করে যান।

৩. রোজ সকালে উঠে অন্য ব্যায়ামের সাথেই এই বাই-সাইকেল ব্যায়ামও মিনিট পাঁচেক করুন। ভুঁড়ি ভ্যানিশ হতে কিন্তু বেশী দেরী হবে না।

৪. রোলিং প্ল্যাঙ্ক ব্যায়াম

পেটের চর্বি কমিয়ে আপনার পেটকে যদি টোনড আর শেপে আনতে চান, তাহলে এই রোলিং প্ল্যাঙ্ক ট্রাই করুন।

পদ্ধতি

১. উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ুন। তারপর হাঁটু আর কনুইয়ের ওপর ভর দিন।

২. ঘাড়কে শিরদাঁড়ার সাথে এক লাইনে রাখবেন। এরপর হাঁটুকে আস্তে আস্তে ওপরে তুলুন গোড়ালিতে ভর দিয়ে। হাঁটু দুটো কিন্তু একসাথে জুড়ে রাখবেন। ছবির মতো করে করুন।

৩. এটাই প্ল্যাঙ্ক পোজ। এই পোজিশনে ৩০ সেকেন্ড ধরে থাকুন।

এবার পালা রোলিং প্ল্যাঙ্কের।

১. পাশ ফিরে শুয়ে পড়ুন।

২. ডান কনুই আর ডান পায়ের ওপর ভর দিন। আপনার কনুই যেন আপনার কাঁধের সাথে লম্বভাবে থাকে। আর বাঁ পা যেন ডান পায়ের ওপরে থাকে।

৩. হাঁটু সোজা করে রাখবেন। আপনার শরীরের পেছনের অংশ যেন মাটিতে না ঠেকে।

৪. এভাবে ৩০ সেকেন্ড থাকুন। আস্তে আস্তে সময় বাড়ান। চেষ্টা করুন ২ মিনিট থাকার। এরপর অন্যদিকের সাথেও ট্রাই করুন। রোজ নিয়ম করে করতে কিন্তু ভুলবেন না।

তবে এটা কিন্তু খুব কঠিন আর ভারী একটা ব্যায়াম। তাই সাবধানে করুন। আর খুব চাপ লাগলে করবেন না।

৫. বেন্ডিং সাইড টু সাইড
সহজে পেটের চর্বি কমাবেন? তাহলে এই সোজা ব্যায়ামটা আপনার মাস্ট ট্রাই হবেই।

পদ্ধতি

১. সোজা হয়ে হাত দুটো দু’দিকে রেখে দাঁড়ান।

২. পা মাটিতে সোজা করে রেখে শরীরকে ডান দিকে যতদূর সম্ভব বেঁকান, যতক্ষণ না পর্যন্ত কোমরে হালকা চাপ লাগে। আপনার ডান হাত যেন আপনার কোমরে থাকে। বাঁ হাত ওপরে তুলে রাখবেন ছবির মতো। এভাবে ১৫ সেকেন্ড থাকুন।

৩. আবার নর্মাল অবস্থায় এসে সোজা হয়ে দাঁড়ান। তারপর আবার বাঁ দিকে বেঁকুন। ১৫ সেকেন্ড থাকুন ওই অবস্থায়। আস্তে আস্তে সমস্যা না হলে কিন্তু সময় বাড়াতে পারেন অনায়াসে। আর রোজ নিয়ম করে না করলে কিন্তু কোনো উপকারই পাবেন না।

তাহলে বলে দিলাম পেটের চর্বি কমানোর জন্য দারুণ সহজ পাঁচটি ব্যায়াম। এবার কিন্তু কষ্ট করে সাত সকালে উঠে আপনাকে আর জিমে যেতে হবে না। নিজেকে খানিক সময় দিন। একমাসের মধ্যেই পেয়ে যাবেন আপনার স্বপ্নের স্লিম অ্যান্ড ট্রিম, টোনড পেট। আর তারপর? দেখবেন আপনার সেক্সি ফিগারের রহস্য সব্বাই জানতে চাইছে।

Tuesday, February 20, 2018

মুখের কালো দাগ দুর করার গাছান ঔষুধ

ছোট ছোট মুখের কালো দাগের কারণে অনেকই দেখতে ভালো দেখায় না। এসব কালো দাগ মুখ থেকে সহজে যায় না। অনেক দামি দামি ক্রিম ব্যবহার করে এর ফল ভাল পাওয়া যায় না। আজ আমি আপনাদের বলবো কিভাবে মুখের কালো দাগ দুর করবেন গাছান ঔষুধের মাধ্যমে। 

চন্দন কাঠ :  মুখের দাগ দুর করত চমৎকার কাজে দেয় চন্দন কাঠ। চন্দন কাঠ পানিতে বা গোলাপ জ্বলে মিশিয়ে ব্যবহার দুই সাপ্তাহ ব্যবহার করলে ভাল ফল পাওয়া যায়। 

আলু:  মুখের কালো দাগ দুর করতে আলু অসাধারণ ফল দেয়। আলুর রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে নিন। তার পর শুকিয়ে গেল পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দেখব খুব তাড়াতাড়ি মুখের কালো দাগ দুর হবে। 

হলুদ :  উজ্জ্বলতা বাড়াতে হলুদ একটি চমৎকার উপাদান। এক চামদ হলুদের গুড়া, সামান্য লেবুর রস ও দুধ মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে নিন। কয়েক মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দু বার ব্যবহার করলে ভাল পাওয়া যাব। 

আনারস:  আনারস মুখের কালো দাগ দুর করতে ভাল ফল দেয়। আনারসের রস মুখে লাগিয়ে নিন। 20 মিনিট রাখার পর মুখ ভাল ভাবে ধুয়ে ফেলুন। কয়েকদিন ব্যবহারের করলে কার্যকরী ফল দেখতে পাবন। 

তরমুজ: এক টুকরা তরমুজের রস মুখের কালো দাগের উপর দুই তিন মিনিট ঘষতে থাকুন। সপ্তাহে দুই তিন বার ব্যবহারের ভাল ফল দেখতে পাবেন। 

শসা :  মুখের উজ্জবলতা ও আর্দ্রতা বজায় রাখতে শসা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। কয়েকটি শসার টুকরো নিয়ে একটি পেষ্ট তৈরি করে তাতে সামন্য মধু ভাল করে মিশিয়ে মুখে লাগান। কয়েকদিনের মধ্যে ভাল ফল পাবেন।

মধু ও দুধ: মধু ও দুধ এক সঙ্গে মিশিয়ে কাল দাগের উপর 10 মিনিট লাগিয়ে রাখুন। তারপর মুখ ভাল ভাবে ধুয়ে ফেলুন। কয়েক দিন ব্যবহারের ফলে মুখে কালো দাগ সম্পূর্ণ মুছে যাবে।

অ্যালোভেরা : এ্যালোভেরা রস মুখের দাগের উপর আলতো ভাবে মালিশ করুন। প্রতিদিন মালিশ করলে কিছু দিনের মধ্যেই মুখের কারো দাগ মুছে যাবে।


পোস্ট টি ভাল লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না। 



Monday, October 9, 2017

যৌন শক্তি বাড়ে যে সব খাবার খেলে

আমরা প্রতিদিনেই অনেক ধরনের খাবার খেয়ে থাকি। সবাই জানি কি কোন ধরনের খাবার আমাদের যৌন শক্তি বাড়াতে সক্ষম? ভিটামিন এবং মিনারেলের ভারসাম্য ঠিক থাকলে শরীরে এন্ড্রোক্রাইন সিস্টেম সক্রিয় হয়ে থাকে। এই উপাদান আমাদের শরীরে এস্ট্রোজেন এবং টেস্টোস্টেরনের তৈরি হওয়া নিয়ন্ত্রণ করে। এস্ট্রোজেন এবং টেস্টোস্টেরন যৌন ইচ্ছা এবং পারফরমেন্সের জন্য জরুরি। আপনি যৌন মিলনের ইচ্ছা আছেন কি-না তা নিয়ন্ত্রণ করে আপনার খাদ্য। জেনে নিই এমন কয়েকটি দৈনন্দিন খাদ্য সম্পর্কে যা আপনার শরীরে যৌন শক্তি বহুগুনে বাড়িয়ে দিবে।  


দুধ : প্রাণিজ-ফ্যাট আছে এ প্রাকৃতিক খাদ্য আপনার যৌনজীবনের উন্নতি ঘটায়। যেমন, খাঁটি দুধ, দুধের সর, মাখন ইত্যাদি। বেশিরভাগ মানুষই ফ্যাট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে চায়। কিন্তু আপনি যদি শরীরে সেক্স হরমোন তৈরি হওয়ার পরিমাণ বাড়াতে চান তাহলে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট জাতীয় খাবারের দরকার। তবে সগুলিকে হতে হবে প্রাকৃতিক এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট।

 ঝিনুক : যৌনজীবন আনন্দময় করে তুলতে ঝিনুক খুবই কার্যকরী। ঝিনুকে বেশি পরিমাণে জিঙ্ক থাকে। জিঙ্ক শুক্রাণুর সংখ্যা বৃদ্ধি করে এবং লিবিডো বা যৌন-ইচ্ছা বাড়ায়। ঝিনুক কাঁচা বা রান্না করে যে অবস্থাতেই খাওয়া হোক, ঝিনুক যৌনজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।  

অ্যাসপারাগাস : যৌন ইচ্ছা বাড়াতে  প্রাকৃতিক খাবার শরীরে হরমোনের ভারসাম্য ঠিক রাখে সেগুলি খাওয়া উচিত। যৌনতার ক্ষেত্রে সবসময় ফিট থাকতে চাইলে অ্যাসপারাগাস খেতে শুরু করুন।  

কলিজা :  যৌন শক্তি বাড়াতে  কলিজার প্রভাব ইতিবাচক। কলিজায় প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক থাকে।   জিঙ্ক শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা বেশি পরিমাণে রাখে। যথেষ্ট পরিমাণ জিঙ্ক শরীরে না থাকলে পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে হরমোন নিঃসৃত হয় না।

ডিম : ডিম সেদ্ধ হোক কিংবা ভাজি, সব ভাবেই ডিম যৌন স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি খাবার। ডিমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-৫ ও বি-৬ আছে যা শরীরের হরমোনের কার্যক্রম ঠিক রাখে এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিনের সকালের নাস্তায় একটি করে ডিম রাখুন। এতে আপনার শরীর শক্তি পাবে এবং যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

রঙিন ফল : যৌন স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চাইলে প্রতিদিন খাবার তালিকায় রঙিন ফলমূল রাখুন। আঙ্গুর, কমলা লেবু, তরমুজ, পিচ ইত্যাদি ফল যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত উপকারী। ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাসের মেডিকেল টিমের গবেষণা অনুযায়ী একজন পুরুষের প্রতিদিনের খাবার তালিকায় অন্তত ২০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি থাকলে তার স্পার্মের কোয়ালিটি উন্নত হয়। আবার টেক্সাসের A&M ইউনিভার্সিটির মতে তরমুজ শরীরে যৌন উদ্দীপনা বৃদ্ধি করে। তারা যৌন উদ্দীপক ওষুধ ভায়াগ্রার সাথে তরমুজের তুলনা করেছেন।

মিষ্টি আলু : মিষ্টি আলু শুধু শর্করার ভালো বিকল্পই না, মিষ্টি আলু খুব ভালো ধরনের একটি ‘সেক্স’ ফুড। আপনার শরীর কোনো সবজিতে বিটা-ক্যারোটিন পেলে তা ভিটামিন-এ তে রূপান্তরিত করে। এই ভিটামিন-এ নারীদের যোনি এবং ইউটেরাসের আকার ভালো রাখে। তাছাড়া এটা সেক্স হরমোন তৈরিতেও সহায়তা করে।  

কফি : কফি আপনার যৌন ইচ্ছা বাড়ানোতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কফিতে যে ক্যাফেইন থাকে তা আপনার যৌনতার মুড ঠিক রাখে। 

ডার্ক চকোলেট : ডার্ক চকোলেটে আছে ফেনিলেথ্যালামাইন নামক একটি উপাদান যা শরীরে বাড়তি যৌন উদ্দীপনা তৈরী করে। গবেষণায় জানা গেছে যে ডার্ক চকোলেট খেলে সঙ্গীর প্রতি আকর্ষণবোধও বেড়ে যায়। এছাড়াও ডার্ক চকোলেটে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে। তাই প্রতিদিন শতকরা ৭০ ভাগ কোকোযুক্ত ডার্ক চকোলেটের ২ ইঞ্চির একটি টুকরো খেয়ে নিন। মাত্র ১০০ ক্যালরী আছে এই আকৃতির একটি টুকরোতে যা আপনার যৌন স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। 

 ট্রাফল (এক ধরনের ছত্রাক) : ট্রাফলে পুরুষের যৌন হরমোনের মত একধরনের উপাদান থাকে। কিছু কিছু খাবারে ট্রাফলের এই বিশেষ কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়। যার ফলে, নারীদের পুরুষের প্রতি লিবিডো বা যৌন আকাঙ্ক্ষা বৃদ্ধি পায়। যেমন ম্যাশড পটেটোতে ট্রাফলের ব্যবহার করা হয়।  

জয়ফল : ভারতীয় গবেষকদের মতে, জয়ফল থেকে এক ধরনের কামোদ্দীপক যৌগ নিঃসৃত হয়। সাধারণভাবে এই যৌগটি স্নায়ুর কোষ উদ্দীপিত করে এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। ফলে আপনার যৌন ইচ্ছা বৃদ্ধি পায়। আপনি কফির সাথে মিশিয়ে জয়ফল খেতে পারেন, তাহলে দুইটির কাজ একত্রে পাওয়া সম্ভব।  

তৈলাক্ত মাছ : তৈলাক্ত মাছে রয়েছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড যা সুস্থ যৌন জীবনের জন্য অত্যন্ত উপকারী। সামুদ্রিক মাছেও প্রচুর পরিমাণে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড থাকে। ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড DHA O EPA শরীরে ডোপামিন বাড়িয়ে দেয় এবং মস্তিষ্কে উদ্দীপনা জাগিয়ে তোলে। তৈলাক্ত ও সামুদ্রিক মাছ খেলে শরীরের রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায় এবং গ্রোথ হরমোনের নিঃসরন হয়। ফলে যৌন স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। 

 গরুর মাংস : কলিজার মত গরুর মাংসেও প্রচুর জিঙ্ক থাকে। তাই আপনি যৌন জীবনকে আরো আনন্দময় করতে কম ফ্যাটযুক্ত গরুর মাংস খান। যেমন গরুর কাঁধের মাংসে, রানের মাংসে কম ফ্যাট থাকে এবং জিঙ্ক বেশি থাকে। এইসব জায়গার মাংসে প্রতি ১০০ গ্রামে ১০ মিলিগ্রাম জিঙ্ক থাকে।  

অ্যাভোকাডো : অ্যাভোকাডোকে এর আকৃতির কারণে একে নারী ফল হিসেবে দেখা হয়ে থাকে। তবে শুধু এর আকৃতিই আকর্ষণীয় না, এতে প্রচুর ভিটামিন বি-সিক্স এবং পটাসিয়াম থাকে। এর ফলে এটা খেলে আপনার যৌন ইচ্ছা এবংযৌন সামর্থ্য বৃদ্ধি পায়। এই ফলের এই নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যটির কারণে একে স্প্যানিশ প্রিস্টরা নিষিদ্ধ করেছিল।  

ওটমীল : ওটমিলে প্রচুর পরিমাণে ফাইটোস্ট্রোজেন থাকে। যেসব দানাজাতীয় শশ্যে আবরণ থাকে তাদের মধ্যে এই গুণটি রয়েছে। যেমন গম, চাল, রাই ইত্যাদি। ফাইটোস্ট্রজেন আপনার যৌন জীবনের জন্য খুবই কার্যকরী।  

পালং শাক ও অন্যান্য সবজি : পালং শাকে আছে প্রচুর পরিমাণ ম্যাগনেসিয়াম। ম্যাগনেসিয়াম শরীরে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে। জাপানের গবেষকদের মতে শরীরে রক্ত চলাচল বাড়লে যৌন উদ্দীপনাও বাড়ে। পালং শাক ও অন্যান্য বিভিন্ন রকম শাক,ব্রকলি, লেটুস, ফুলকপি, বাঁধাকপি এগুলোতে রয়েছে ফলেট, ভিটামিন বি সহ অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এগুলো সুস্থ যৌন জীবনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় কিছু উপাদান।  

বাদাম ও বিভিন্ন বীজ : কুমড়োর বীজ, সূর্যমূখীর বীজ, চিনা বাদাম, কাজু বাদাম, পেস্তা বাদাম ইত্যাদিতে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট আছে এবং এগুলো শরীরে উপকারী কোলেস্টেরল তৈরী করে। সেক্স হরমোন গুলো ঠিক মতো কাজ করার জন্য এই কোলেস্টেরল অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তাই প্রতিদিন অল্প করে হলেও বাদাম খাওয়ার চেষ্টা করুন।

চীনা বাদামে প্রচুর জিঙ্ক থাকে। এই জিঙ্ক শুক্রাণুর সংখ্যা বাড়ায় এবং শক্তিশালী শুক্রাণু তৈরি করে। জিঙ্ক কম থাকলে শরীরে শতকরা ৩০ ভাগ কম বীর্য তৈরি হয়। যারা খাদ্যের মাধ্যমে শরীরে কম জিঙ্ক গ্রহণ করে তাদের বীর্য এবং টেস্টোস্টেরনের ঘনত্ব দুটিই কমে যায়। 

ওটমিল এবং কুমড়ার বীচির মত সূর্যমুখীর বীজ হরমোন বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে আপনার যৌন আকাঙ্ক্ষাও বাড়ে। সূর্যমূখীর বীজে যে তেল থাকে তা এই কাজটি করে। কুমড়ার বীচি জিঙ্ক-এর অন্যতম সেরা প্রাকৃতিক উৎস। এই জিঙ্ক টেস্টোস্টেরোনের মাত্রা বাড়ায়। যৌন ইচ্ছা বাড়াতে কুমড়ার বীচির কার্যকারিতা অনেক।

Monday, June 30, 2014

কাঁঠালের গুনাবলী

কাঁঠালকে আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে পনস বলা হয়। অগ্রহয়ণ ও পৌষ মাসে এই গাছের ফুল ধরে। তারপর ফল হয়, জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ় মাসে ফল পাকে। কাঁঠালের সারা গায়ে কাটা হয়। কাঁঠালের সুগন্ধ বের হয় পাকলে। কাঁঠালের পাতা মূল, কাঠ ও ফল ওষুধে ব্যবহার করা হয়।
কাঁঠালের গুনাবলী : নিচে কাঠালের গুনাবলী আলোচনা করা হল।
কাঁঠাল




  1. অরুচিতে: পাকা কাঁঠালের রস 2 থেকে 3 চা-চামচ নিয়ে ওর সাথে সামান্য চিনি এবং অল্প মরিচের গুড়া মিশিয়ে কয়েকদিন খেলে অরুচি থাকবে না। চিনি না দিয়ে 4-5 চামচ দুধ দিয়ে খেলেও উপকার পাবেন। 
  2. দূর্বলতা দেখা দিলে: অনেক সময় ক্ষয়জনিত কোন কারণে দূর্বলতা দেখা দেয়। যে কোন কারণে দূর্বলতা দেখা দিলে, কাঠালের রস নিংড়ে 5 থেকে 6 চা-চামচ করে সকালে ও বিকালে কয়েকদিন খেলে দূর্বলতা কেটে যাবে। 
  3. পেশীর বাতে: কাঁঠালের ভিতরের শক্ত দন্ডটি অর্থাত যাকে আমরা কাঁঠালের ভূতি বলি ‍ও ফেলে দিই। সেটি ছোট ছোট করে কেটে 4-5 গ্রাম মাত্রায় নিয়ে দুই কাপ পানি দিয়ে সিদ্ধ করুন। 2-3 কাপ অবশিষ্ট থাকতে নামিয়ে ছেকে নিন। এবার ওটা 4 ভাগ করে সারাদিনে চারবার খেলে উপকার হয়। 
এখানে কাঁঠালের গুনাবলী খুব সংক্ষেপে আলোচনা করা হল। কাঠালের পরিচয় ও এর জাত সম্পর্কে জানতে ক্লিক করুন এখানে। 

Thursday, June 12, 2014

আমের গুনাবলী

এই গ্রীষ্মের দিনে আম খেতে কতই না মজা। আরো মজা হতো যদি আমরা সকলেই আম এর গুনাবলী সম্পর্কে জানতাম। আম আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী একটি ফল। আজ আপনাদের আম এর গুনাবলী সম্পর্কে কিছু তথ্য দিব আশা করি সকলের কাজে লাগবে।


আম এমনিতেই ঠান্ডা। তবে বর্তমানে কৃত্রিমভাবে অর্থ্যাৎ কাররবাইড দ্বারা সব রকম ফল পাকানো হয় বলে, ঠান্ডা কথাটা বলা চলে না। পাকা আম খেলে ফোড়া হয় না। কিন্তু আমরা বাজারে যে আম দেখি সেটা নামেই, আসলে কাচা আমকেই জোর করে পাকানো হয়। সেজন্য যাদের দেহে পিত্তবাহুল্য, তারা এ আম খেলে খুব স্বাভাবিক কারণেই ফোড় হবে দেহে। কিন্তু পৃকৃত পাকা আম খেলে তা হয় না।



আমের গুনাবলী : আমের গুনাবলী নিচে আলোচনা করা হল।

  1. বমিভাব হলে: প্রায়ই যাদের বমি-বমি ভাব দেখা যায়, তারা তিন থেকে চারটি আমপাতা পানিতে সিদ্ধ করে সে পানিটুকু সারাদিনে একটু একটু করে খাবেন।

  2. আমাশয় রোগে: কচি আমপাতা ও কচি জামপাতার রস এক সাথে মিশিয়ে 2-3 চা-চাম একটু গরম করে খান। আমাশয় আরোগ্য হবে।

  3. রক্ত আমাশয়ে: আম গাছের ছাল পরিষ্কার করে ঘুয়ে রস বের করে সে রস এক বা দু চা-চামচ আধাপোয়া ছাগরের দুধের সাথে মিশিয়ে খাবেন। যদি ইচ্ছে করেন একটু চিনি বা মধু মিশিয়ে নিবেন।

  4. পা-ফাটা রোাগে: যাদের পায়ের গোড়ালি ফাটে বিশেষত শীতকালে, তারা ফাটা শুরু হলেই সে ফাটায় আম গাছের আঠা দিন। আবার এর সাথে যদি কিছু ধুনার ‍গুড়া মিশিয়ে নেন, তাহলে আরও ভালো হয়।

  5. অকালে চুল পাকা শুরু হলে: আমের কুশি 5-6 গ্রাম পরিমাণ নিয়ে থেতো করে ও 2-3টি আমলকী একটু থেতো করে 10-12 চামচ পানিতে ভিজিয়ে লোহার পাত্রে  5-6 ঘন্টা ভিজিয়ে রাখার পর ছেকে নিয়ে সে পানি চুলে লাগালে চুল পাকা কমে যাবে।

  6. অকালে চুল পাকা শুরু হলে: আমের কুশি অর্থ্যাৎ কচি আমের আঠির শাষ একটু থেতো করে পানিতে 5-6 ঘন্টা ভিজিয়ে ছেকে নিন। তারপর সে পানি শুকনা চুলের গোড়ায় ঘাষে লাগালে চুল উঠা অনেক  কমে যাবে। মাথায় কিন্তু তেল মাখা চলবে না।

উপরে আম এর গুরুত্বপূর্ণ কিছু গুনাবলী আলোচনা করা হয়েছে। আম এর আরো অনেক গুনাবলী রয়েছে। আম সম্পর্কে

আরো জানতে ক্লিক করুন ।

Saturday, May 24, 2014

অটোরান ভাইরাস থেকে কম্পিউটারকে সুরক্ষা রাখুন

কম্পিউটারে অটোরান ভাইরাস প্রবেশ করে অনেক ঝামেলা করে। আর এই অটোরান ভাইরাস প্রবেশ করে বিভিন্ন removable drives থেকে।  তাই এই অটোরান ভাইরাস যেন আপনার কম্পিউটারে প্রবেশ না করে সেজন্য ছোট একটু সফওয্যার ডাউনলোড করে এই সমস্যা সমাধান করতে পারেন খুব সহজেই।  এই সফওয়্যার টি ইনষ্টল করার পর আপনাকে
Disables AutoRun on removable drives অপশনে ক্লিক করে apply তে ক্লিক করলে অটোরান বদ্ধ হয়ে যাবে। এ থেকে আপনি অটোরান ভাইরাস থেকে মুক্তি পাবেন। এ সফটওয্যারটি দিয়ে Disables AutoRun on drives of unknown type , Disables AutoRun on removable drives, Disables AutoRun on fixed drives , Disables AutoRun on network drives, Disables AutoRun on CD-ROM drives, Disables AutoRun on RAM disks, Disables AutoRun on all kinds of drives করতে পারবেন। দেরী না করে মাত্র 524 কেবির সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করে নিন।

ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে।

 

Keep your computer safe from AutoRun viruses

Autorun virus enters the computer too much trouble . The virus enters the Run from different removable drives . Autorun virus that enters your computer not so small that you can solve this problem easily by downloading a software.

After you install the Software does
Disables AutoRun on removable drives click on apply and click Run will be closed . From this you will get released from Autorun Virus . With this software Disables AutoRun on drives of unknown type, Disables AutoRun on removable drives, Disables AutoRun on fixed drives, Disables AutoRun on network drives, Disables AutoRun on CD-ROM drives, Disables AutoRun on RAM disks, Disables AutoRun on all kinds of drives can . Take just a 524kb download it .


 

Click here to download .

Monday, May 12, 2014

ইন্টারনেট ব্রাউজারের শর্টকাট জেনে নিন

ইন্টারনেট ব্রাউজারের শর্টকাট কী আছে অনেক । আমি আপনাদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্টকাট কি নিচে দিচ্ছি আশা করি সকলে উপকার হবে।



  •  কার্সর সরিয়ে address bar এ নিয়ে যাওয়ার জন্য ক্লিক করুন alt+D

  • জুম করা জন্য ক্লিক করুন ctrl+ or - এবং জুম রিসেট করার জন্য ক্লিক করুন ctrl + 0

  • পিছনের  পেজ ফিরে যেতে ক্লিক করুন backspace key অথবা alt key + left arrow

  • রিলোড অথবা রিফেরেস করতে ক্লিক করুন F5

  • পেজ কে ফুল স্কিন করতে ক্লিক করুন F11 এবং ফিরে যেতেও ক্লিক করুন F11

  • কোন পেজ কে বা সাইটকে বুকমার্ক করতে ক্লিক করুন crtl + B

  • কোন কিছু খুজে পেতে ক্লিক করুন Crtl + F

এছাড়াও আরো কে কী আছে যা আপনারা নিজে নিজে চেষ্টা করলে বের হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।