Monday, October 9, 2017

যৌন শক্তি বাড়ে যে সব খাবার খেলে

আমরা প্রতিদিনেই অনেক ধরনের খাবার খেয়ে থাকি। সবাই জানি কি কোন ধরনের খাবার আমাদের যৌন শক্তি বাড়াতে সক্ষম? ভিটামিন এবং মিনারেলের ভারসাম্য ঠিক থাকলে শরীরে এন্ড্রোক্রাইন সিস্টেম সক্রিয় হয়ে থাকে। এই উপাদান আমাদের শরীরে এস্ট্রোজেন এবং টেস্টোস্টেরনের তৈরি হওয়া নিয়ন্ত্রণ করে। এস্ট্রোজেন এবং টেস্টোস্টেরন যৌন ইচ্ছা এবং পারফরমেন্সের জন্য জরুরি। আপনি যৌন মিলনের ইচ্ছা আছেন কি-না তা নিয়ন্ত্রণ করে আপনার খাদ্য। জেনে নিই এমন কয়েকটি দৈনন্দিন খাদ্য সম্পর্কে যা আপনার শরীরে যৌন শক্তি বহুগুনে বাড়িয়ে দিবে।  


দুধ : প্রাণিজ-ফ্যাট আছে এ প্রাকৃতিক খাদ্য আপনার যৌনজীবনের উন্নতি ঘটায়। যেমন, খাঁটি দুধ, দুধের সর, মাখন ইত্যাদি। বেশিরভাগ মানুষই ফ্যাট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে চায়। কিন্তু আপনি যদি শরীরে সেক্স হরমোন তৈরি হওয়ার পরিমাণ বাড়াতে চান তাহলে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট জাতীয় খাবারের দরকার। তবে সগুলিকে হতে হবে প্রাকৃতিক এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট।

 ঝিনুক : যৌনজীবন আনন্দময় করে তুলতে ঝিনুক খুবই কার্যকরী। ঝিনুকে বেশি পরিমাণে জিঙ্ক থাকে। জিঙ্ক শুক্রাণুর সংখ্যা বৃদ্ধি করে এবং লিবিডো বা যৌন-ইচ্ছা বাড়ায়। ঝিনুক কাঁচা বা রান্না করে যে অবস্থাতেই খাওয়া হোক, ঝিনুক যৌনজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।  

অ্যাসপারাগাস : যৌন ইচ্ছা বাড়াতে  প্রাকৃতিক খাবার শরীরে হরমোনের ভারসাম্য ঠিক রাখে সেগুলি খাওয়া উচিত। যৌনতার ক্ষেত্রে সবসময় ফিট থাকতে চাইলে অ্যাসপারাগাস খেতে শুরু করুন।  

কলিজা :  যৌন শক্তি বাড়াতে  কলিজার প্রভাব ইতিবাচক। কলিজায় প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক থাকে।   জিঙ্ক শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা বেশি পরিমাণে রাখে। যথেষ্ট পরিমাণ জিঙ্ক শরীরে না থাকলে পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে হরমোন নিঃসৃত হয় না।

ডিম : ডিম সেদ্ধ হোক কিংবা ভাজি, সব ভাবেই ডিম যৌন স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি খাবার। ডিমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-৫ ও বি-৬ আছে যা শরীরের হরমোনের কার্যক্রম ঠিক রাখে এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিনের সকালের নাস্তায় একটি করে ডিম রাখুন। এতে আপনার শরীর শক্তি পাবে এবং যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

রঙিন ফল : যৌন স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চাইলে প্রতিদিন খাবার তালিকায় রঙিন ফলমূল রাখুন। আঙ্গুর, কমলা লেবু, তরমুজ, পিচ ইত্যাদি ফল যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত উপকারী। ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাসের মেডিকেল টিমের গবেষণা অনুযায়ী একজন পুরুষের প্রতিদিনের খাবার তালিকায় অন্তত ২০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি থাকলে তার স্পার্মের কোয়ালিটি উন্নত হয়। আবার টেক্সাসের A&M ইউনিভার্সিটির মতে তরমুজ শরীরে যৌন উদ্দীপনা বৃদ্ধি করে। তারা যৌন উদ্দীপক ওষুধ ভায়াগ্রার সাথে তরমুজের তুলনা করেছেন।

মিষ্টি আলু : মিষ্টি আলু শুধু শর্করার ভালো বিকল্পই না, মিষ্টি আলু খুব ভালো ধরনের একটি ‘সেক্স’ ফুড। আপনার শরীর কোনো সবজিতে বিটা-ক্যারোটিন পেলে তা ভিটামিন-এ তে রূপান্তরিত করে। এই ভিটামিন-এ নারীদের যোনি এবং ইউটেরাসের আকার ভালো রাখে। তাছাড়া এটা সেক্স হরমোন তৈরিতেও সহায়তা করে।  

কফি : কফি আপনার যৌন ইচ্ছা বাড়ানোতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কফিতে যে ক্যাফেইন থাকে তা আপনার যৌনতার মুড ঠিক রাখে। 

ডার্ক চকোলেট : ডার্ক চকোলেটে আছে ফেনিলেথ্যালামাইন নামক একটি উপাদান যা শরীরে বাড়তি যৌন উদ্দীপনা তৈরী করে। গবেষণায় জানা গেছে যে ডার্ক চকোলেট খেলে সঙ্গীর প্রতি আকর্ষণবোধও বেড়ে যায়। এছাড়াও ডার্ক চকোলেটে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে। তাই প্রতিদিন শতকরা ৭০ ভাগ কোকোযুক্ত ডার্ক চকোলেটের ২ ইঞ্চির একটি টুকরো খেয়ে নিন। মাত্র ১০০ ক্যালরী আছে এই আকৃতির একটি টুকরোতে যা আপনার যৌন স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। 

 ট্রাফল (এক ধরনের ছত্রাক) : ট্রাফলে পুরুষের যৌন হরমোনের মত একধরনের উপাদান থাকে। কিছু কিছু খাবারে ট্রাফলের এই বিশেষ কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়। যার ফলে, নারীদের পুরুষের প্রতি লিবিডো বা যৌন আকাঙ্ক্ষা বৃদ্ধি পায়। যেমন ম্যাশড পটেটোতে ট্রাফলের ব্যবহার করা হয়।  

জয়ফল : ভারতীয় গবেষকদের মতে, জয়ফল থেকে এক ধরনের কামোদ্দীপক যৌগ নিঃসৃত হয়। সাধারণভাবে এই যৌগটি স্নায়ুর কোষ উদ্দীপিত করে এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। ফলে আপনার যৌন ইচ্ছা বৃদ্ধি পায়। আপনি কফির সাথে মিশিয়ে জয়ফল খেতে পারেন, তাহলে দুইটির কাজ একত্রে পাওয়া সম্ভব।  

তৈলাক্ত মাছ : তৈলাক্ত মাছে রয়েছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড যা সুস্থ যৌন জীবনের জন্য অত্যন্ত উপকারী। সামুদ্রিক মাছেও প্রচুর পরিমাণে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড থাকে। ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড DHA O EPA শরীরে ডোপামিন বাড়িয়ে দেয় এবং মস্তিষ্কে উদ্দীপনা জাগিয়ে তোলে। তৈলাক্ত ও সামুদ্রিক মাছ খেলে শরীরের রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায় এবং গ্রোথ হরমোনের নিঃসরন হয়। ফলে যৌন স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। 

 গরুর মাংস : কলিজার মত গরুর মাংসেও প্রচুর জিঙ্ক থাকে। তাই আপনি যৌন জীবনকে আরো আনন্দময় করতে কম ফ্যাটযুক্ত গরুর মাংস খান। যেমন গরুর কাঁধের মাংসে, রানের মাংসে কম ফ্যাট থাকে এবং জিঙ্ক বেশি থাকে। এইসব জায়গার মাংসে প্রতি ১০০ গ্রামে ১০ মিলিগ্রাম জিঙ্ক থাকে।  

অ্যাভোকাডো : অ্যাভোকাডোকে এর আকৃতির কারণে একে নারী ফল হিসেবে দেখা হয়ে থাকে। তবে শুধু এর আকৃতিই আকর্ষণীয় না, এতে প্রচুর ভিটামিন বি-সিক্স এবং পটাসিয়াম থাকে। এর ফলে এটা খেলে আপনার যৌন ইচ্ছা এবংযৌন সামর্থ্য বৃদ্ধি পায়। এই ফলের এই নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যটির কারণে একে স্প্যানিশ প্রিস্টরা নিষিদ্ধ করেছিল।  

ওটমীল : ওটমিলে প্রচুর পরিমাণে ফাইটোস্ট্রোজেন থাকে। যেসব দানাজাতীয় শশ্যে আবরণ থাকে তাদের মধ্যে এই গুণটি রয়েছে। যেমন গম, চাল, রাই ইত্যাদি। ফাইটোস্ট্রজেন আপনার যৌন জীবনের জন্য খুবই কার্যকরী।  

পালং শাক ও অন্যান্য সবজি : পালং শাকে আছে প্রচুর পরিমাণ ম্যাগনেসিয়াম। ম্যাগনেসিয়াম শরীরে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে। জাপানের গবেষকদের মতে শরীরে রক্ত চলাচল বাড়লে যৌন উদ্দীপনাও বাড়ে। পালং শাক ও অন্যান্য বিভিন্ন রকম শাক,ব্রকলি, লেটুস, ফুলকপি, বাঁধাকপি এগুলোতে রয়েছে ফলেট, ভিটামিন বি সহ অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এগুলো সুস্থ যৌন জীবনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় কিছু উপাদান।  

বাদাম ও বিভিন্ন বীজ : কুমড়োর বীজ, সূর্যমূখীর বীজ, চিনা বাদাম, কাজু বাদাম, পেস্তা বাদাম ইত্যাদিতে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট আছে এবং এগুলো শরীরে উপকারী কোলেস্টেরল তৈরী করে। সেক্স হরমোন গুলো ঠিক মতো কাজ করার জন্য এই কোলেস্টেরল অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তাই প্রতিদিন অল্প করে হলেও বাদাম খাওয়ার চেষ্টা করুন।

চীনা বাদামে প্রচুর জিঙ্ক থাকে। এই জিঙ্ক শুক্রাণুর সংখ্যা বাড়ায় এবং শক্তিশালী শুক্রাণু তৈরি করে। জিঙ্ক কম থাকলে শরীরে শতকরা ৩০ ভাগ কম বীর্য তৈরি হয়। যারা খাদ্যের মাধ্যমে শরীরে কম জিঙ্ক গ্রহণ করে তাদের বীর্য এবং টেস্টোস্টেরনের ঘনত্ব দুটিই কমে যায়। 

ওটমিল এবং কুমড়ার বীচির মত সূর্যমুখীর বীজ হরমোন বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে আপনার যৌন আকাঙ্ক্ষাও বাড়ে। সূর্যমূখীর বীজে যে তেল থাকে তা এই কাজটি করে। কুমড়ার বীচি জিঙ্ক-এর অন্যতম সেরা প্রাকৃতিক উৎস। এই জিঙ্ক টেস্টোস্টেরোনের মাত্রা বাড়ায়। যৌন ইচ্ছা বাড়াতে কুমড়ার বীচির কার্যকারিতা অনেক।

Monday, June 30, 2014

কাঁঠালের গুনাবলী

কাঁঠালকে আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে পনস বলা হয়। অগ্রহয়ণ ও পৌষ মাসে এই গাছের ফুল ধরে। তারপর ফল হয়, জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ় মাসে ফল পাকে। কাঁঠালের সারা গায়ে কাটা হয়। কাঁঠালের সুগন্ধ বের হয় পাকলে। কাঁঠালের পাতা মূল, কাঠ ও ফল ওষুধে ব্যবহার করা হয়।
কাঁঠালের গুনাবলী : নিচে কাঠালের গুনাবলী আলোচনা করা হল।
কাঁঠাল




  1. অরুচিতে: পাকা কাঁঠালের রস 2 থেকে 3 চা-চামচ নিয়ে ওর সাথে সামান্য চিনি এবং অল্প মরিচের গুড়া মিশিয়ে কয়েকদিন খেলে অরুচি থাকবে না। চিনি না দিয়ে 4-5 চামচ দুধ দিয়ে খেলেও উপকার পাবেন। 
  2. দূর্বলতা দেখা দিলে: অনেক সময় ক্ষয়জনিত কোন কারণে দূর্বলতা দেখা দেয়। যে কোন কারণে দূর্বলতা দেখা দিলে, কাঠালের রস নিংড়ে 5 থেকে 6 চা-চামচ করে সকালে ও বিকালে কয়েকদিন খেলে দূর্বলতা কেটে যাবে। 
  3. পেশীর বাতে: কাঁঠালের ভিতরের শক্ত দন্ডটি অর্থাত যাকে আমরা কাঁঠালের ভূতি বলি ‍ও ফেলে দিই। সেটি ছোট ছোট করে কেটে 4-5 গ্রাম মাত্রায় নিয়ে দুই কাপ পানি দিয়ে সিদ্ধ করুন। 2-3 কাপ অবশিষ্ট থাকতে নামিয়ে ছেকে নিন। এবার ওটা 4 ভাগ করে সারাদিনে চারবার খেলে উপকার হয়। 
এখানে কাঁঠালের গুনাবলী খুব সংক্ষেপে আলোচনা করা হল। কাঠালের পরিচয় ও এর জাত সম্পর্কে জানতে ক্লিক করুন এখানে। 

Thursday, June 12, 2014

আমের গুনাবলী

এই গ্রীষ্মের দিনে আম খেতে কতই না মজা। আরো মজা হতো যদি আমরা সকলেই আম এর গুনাবলী সম্পর্কে জানতাম। আম আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী একটি ফল। আজ আপনাদের আম এর গুনাবলী সম্পর্কে কিছু তথ্য দিব আশা করি সকলের কাজে লাগবে।


আম এমনিতেই ঠান্ডা। তবে বর্তমানে কৃত্রিমভাবে অর্থ্যাৎ কাররবাইড দ্বারা সব রকম ফল পাকানো হয় বলে, ঠান্ডা কথাটা বলা চলে না। পাকা আম খেলে ফোড়া হয় না। কিন্তু আমরা বাজারে যে আম দেখি সেটা নামেই, আসলে কাচা আমকেই জোর করে পাকানো হয়। সেজন্য যাদের দেহে পিত্তবাহুল্য, তারা এ আম খেলে খুব স্বাভাবিক কারণেই ফোড় হবে দেহে। কিন্তু পৃকৃত পাকা আম খেলে তা হয় না।



আমের গুনাবলী : আমের গুনাবলী নিচে আলোচনা করা হল।

  1. বমিভাব হলে: প্রায়ই যাদের বমি-বমি ভাব দেখা যায়, তারা তিন থেকে চারটি আমপাতা পানিতে সিদ্ধ করে সে পানিটুকু সারাদিনে একটু একটু করে খাবেন।

  2. আমাশয় রোগে: কচি আমপাতা ও কচি জামপাতার রস এক সাথে মিশিয়ে 2-3 চা-চাম একটু গরম করে খান। আমাশয় আরোগ্য হবে।

  3. রক্ত আমাশয়ে: আম গাছের ছাল পরিষ্কার করে ঘুয়ে রস বের করে সে রস এক বা দু চা-চামচ আধাপোয়া ছাগরের দুধের সাথে মিশিয়ে খাবেন। যদি ইচ্ছে করেন একটু চিনি বা মধু মিশিয়ে নিবেন।

  4. পা-ফাটা রোাগে: যাদের পায়ের গোড়ালি ফাটে বিশেষত শীতকালে, তারা ফাটা শুরু হলেই সে ফাটায় আম গাছের আঠা দিন। আবার এর সাথে যদি কিছু ধুনার ‍গুড়া মিশিয়ে নেন, তাহলে আরও ভালো হয়।

  5. অকালে চুল পাকা শুরু হলে: আমের কুশি 5-6 গ্রাম পরিমাণ নিয়ে থেতো করে ও 2-3টি আমলকী একটু থেতো করে 10-12 চামচ পানিতে ভিজিয়ে লোহার পাত্রে  5-6 ঘন্টা ভিজিয়ে রাখার পর ছেকে নিয়ে সে পানি চুলে লাগালে চুল পাকা কমে যাবে।

  6. অকালে চুল পাকা শুরু হলে: আমের কুশি অর্থ্যাৎ কচি আমের আঠির শাষ একটু থেতো করে পানিতে 5-6 ঘন্টা ভিজিয়ে ছেকে নিন। তারপর সে পানি শুকনা চুলের গোড়ায় ঘাষে লাগালে চুল উঠা অনেক  কমে যাবে। মাথায় কিন্তু তেল মাখা চলবে না।

উপরে আম এর গুরুত্বপূর্ণ কিছু গুনাবলী আলোচনা করা হয়েছে। আম এর আরো অনেক গুনাবলী রয়েছে। আম সম্পর্কে

আরো জানতে ক্লিক করুন ।

Saturday, May 24, 2014

অটোরান ভাইরাস থেকে কম্পিউটারকে সুরক্ষা রাখুন

কম্পিউটারে অটোরান ভাইরাস প্রবেশ করে অনেক ঝামেলা করে। আর এই অটোরান ভাইরাস প্রবেশ করে বিভিন্ন removable drives থেকে।  তাই এই অটোরান ভাইরাস যেন আপনার কম্পিউটারে প্রবেশ না করে সেজন্য ছোট একটু সফওয্যার ডাউনলোড করে এই সমস্যা সমাধান করতে পারেন খুব সহজেই।  এই সফওয়্যার টি ইনষ্টল করার পর আপনাকে
Disables AutoRun on removable drives অপশনে ক্লিক করে apply তে ক্লিক করলে অটোরান বদ্ধ হয়ে যাবে। এ থেকে আপনি অটোরান ভাইরাস থেকে মুক্তি পাবেন। এ সফটওয্যারটি দিয়ে Disables AutoRun on drives of unknown type , Disables AutoRun on removable drives, Disables AutoRun on fixed drives , Disables AutoRun on network drives, Disables AutoRun on CD-ROM drives, Disables AutoRun on RAM disks, Disables AutoRun on all kinds of drives করতে পারবেন। দেরী না করে মাত্র 524 কেবির সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করে নিন।

ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে।

 

Keep your computer safe from AutoRun viruses

Autorun virus enters the computer too much trouble . The virus enters the Run from different removable drives . Autorun virus that enters your computer not so small that you can solve this problem easily by downloading a software.

After you install the Software does
Disables AutoRun on removable drives click on apply and click Run will be closed . From this you will get released from Autorun Virus . With this software Disables AutoRun on drives of unknown type, Disables AutoRun on removable drives, Disables AutoRun on fixed drives, Disables AutoRun on network drives, Disables AutoRun on CD-ROM drives, Disables AutoRun on RAM disks, Disables AutoRun on all kinds of drives can . Take just a 524kb download it .


 

Click here to download .

Monday, May 12, 2014

ইন্টারনেট ব্রাউজারের শর্টকাট জেনে নিন

ইন্টারনেট ব্রাউজারের শর্টকাট কী আছে অনেক । আমি আপনাদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্টকাট কি নিচে দিচ্ছি আশা করি সকলে উপকার হবে।



  •  কার্সর সরিয়ে address bar এ নিয়ে যাওয়ার জন্য ক্লিক করুন alt+D

  • জুম করা জন্য ক্লিক করুন ctrl+ or - এবং জুম রিসেট করার জন্য ক্লিক করুন ctrl + 0

  • পিছনের  পেজ ফিরে যেতে ক্লিক করুন backspace key অথবা alt key + left arrow

  • রিলোড অথবা রিফেরেস করতে ক্লিক করুন F5

  • পেজ কে ফুল স্কিন করতে ক্লিক করুন F11 এবং ফিরে যেতেও ক্লিক করুন F11

  • কোন পেজ কে বা সাইটকে বুকমার্ক করতে ক্লিক করুন crtl + B

  • কোন কিছু খুজে পেতে ক্লিক করুন Crtl + F

এছাড়াও আরো কে কী আছে যা আপনারা নিজে নিজে চেষ্টা করলে বের হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।

Sunday, April 20, 2014

হলুদ দিয়ে রোগের চিকিৎসা

বিভিন্ন কাজে আমারা হলুদ ব্যবহার করে থাকি। বিশেষ করে রান্নার কাজে হলুদ এর চাহিদার শেষ নেই। কিন্তু অনেকেই জানিনা হলুদ দিয়ে বিভিন্ন চিকিৎসা হয়। উপকার হয় অনেক রোগের। আসুন আজ আপনাদের হলুদ এর গুনাবলী নিয়ে আলোচনা করি। হলুদ এর পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন।
বিভিন্ন চিকিৎসায় হলুদ এর ব্যবহার :
নিচে হলুদ এর গুনাবলী আলোচনা করা হল।

  1. মুখের লাবণ্য বাড়াতে : মুখের লাবণ্য বাড়াতে হলুদ এর জবাব নেই। কাঁচা হলুদ ও ভিজানো মসুর ডাল একত্রে বেটে তার সাথে দুধের সর মিশিয়ে মুখে মাখলে, মুখের লাবণ্য বৃদ্ধি পায়।

  2. দেহের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে : আগে ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের তেল-হলুদ মাখিয়ে গোসল করানোর প্রথা ছিল। এতে দেহের উজ্জলতা বাড়ে। খোসপাসড়া চুলকানি প্রভৃতি চর্মরোগও হয় না এবং উজ্জ্বলতা বাড়ে।

  3. ক্রিমি রোগে : বয়স অনুযায়ী 15 তেকে 20 ফোটা কাচা হলুদ এর রস ছেকে তাতে অল্প লবণ মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেলে, ক্রিমি নাশ হয়।

  4. গলা ধরে গেলে : চিৎকার, বক্তৃতা বা গান, যে কোনও কারণে গলা বসে গেলে হলুদগুড়া 2 গ্রাম পরিমাণে নিয়ে পানি মিশিয়ে তাতে চিনি দিয়ে শরবত করে একটু গরম হলুদে খেলে খুব উপকার হয়।

  5. তোতলামিতে : তাড়াতাড়ি কথা বলার অভ্যাসের জন্য যদি তোতলামি দেখা যায়, তাহলে কাঁচা হলুদ শুকিয়ে গুড়া করে 2 থেকে 3 গ্রাম পরিমাণে নিয়ে 1 চা-চামচ গাওয়া ঘিয়ে একটু ভেজে সেটাকে সারা দিনে 2-3 বার চেটে খাবেন, তোতলামি থাকবে না।

  6. লিভারের দোষ : লিভারের দোষ হলে সারাদেহে ফ্যাকাশে দেখায়, এ অবস্থা দেখা দিলে, শিশুদের  ক্ষেত্রে 5 থেকে 10 ফোটা পূর্ণ বয়স্কদের জন্য 1 চা-চামচ কাচা হলুদের রস একটু চিনি বা মধু মিশিয়ে নিয়মিত কিচুদিন খাবেন, লিভারের দোষ থাকবে না।

  7. মচকে গেলে : দেহেরে কোনও স্থান মচকে গিয়ে ব্যথা হলে বা ফুললে লবণ হলুদ আর চূর্ণ একসাথে মিশিয়ে গরম করে সেখানে লাগালে ব্যথা ও ফুলা কমে যায়।

  8. অ্যালার্জিতে : কোনও খাদ্য খেলে যদি দেহে অ্যালার্জি দেখা দেয অথ্যাৎ দেহ চুলকাতে থাকে, স্থানে-স্থানে লাল হয়ে ফুলে ওঠে ও  চাকা চাকা হয়ে যায়, তাহলে কাচা হলুদ শুকনা করে তার চার চামচ চূর্ণ, নিমপাতা চুর্ণ 1 চামচ ও শুকনা আমলকী চূর্ণ 3 চামচ এক সাথে মিশিয়ে একটি শিশিতে রেখে দিন। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এ ছুর্ণ মিশ্রণ 1 গ্রাম মাত্রায় পানিসহ খেলে অ্যালার্জি কমবে।

এছাড়াও হলুদের আরো অনেক গুনাবলী আছে। এখানে প্রয়োজনীয় কিছু গুনাবলী আলোচনা করা হল। আশা করি সকলের ভালো লাগবে।

Sunday, April 13, 2014

বীর্য গাঢ় করার গাছান ঔষধ

বীর্য পাতলা  হলে যৌন মিলনের সময় খুব দ্রুত বীর্য পাত হয়। আর এতে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে মনমালিণ্য সৃষ্টি হয়।  পুরুষদের মধ্যে প্রায় বেশি ভাগই বীর্য গাঢ় করার কথা ভাবে। ভাবে কিভাবে যৌন মিলন কে আরো দীর্ঘ করা যায়। আজ আপনারদের কে আমি কিছু গাছ গাছালীর গুনাবলীর নিয়ে আলোচনা করবো যা আপনাদের কে এ সমস্যা থেকে রেহাই দিবে।

বীর্য গাঢ় : নিচে বীর্য গাঢ় করার জন্য বিভিন্ন গাছ-গাছালীর গুনাবলী আলোচনা করা হল।

কলমি শাক : কলমি শাক আমরা প্রায় খাই। এ শাকের গুনাবলী অনেক। কলমি শাকের রস 3 চামচ এবং অশ্বদন্ধার মূলের গুড়া (কবিরাজী দোকানে পাওয়া যায়) দেড় গ্রাম গরুর  দুধ এক কাপ দুধে মিশিয়ে রাতে শোবার সময় একবার করে খেলে বীর্য গাঢ় হবে এবং স্বপ্নদোষও বন্ধ হবে।

রাম তুলসী: রামতুলসী পাতার রস ধ্বজভঙ্গের খুবই উপকারী। মাত্র দুই সপ্তাহ নিয়মিত খেরে রোগীর স্বাভাবিক যৌন ক্ষমতা ফিরে আসে।

বেল : যৌবন উত্তেজনা উম্মচিত হয়ে তরুন যুবক কু-পথে চালিত হয়ে শুক্রক্ষয় করে থাকে। তিন থেকে চারটি বেলপাতা ভালোভাবে বেটে তার রস আধাকাপ ঠান্ডা পানির সাথে মিশিয়ে কিছুদিন খেলে শরীরে তীব্র কাম উত্তেজনা হ্রাস পায়। তবে একটা দীর্ঘদিন খাওয়া মোটেই উচিত নয়। দম্পত্য জীবনে বীপরীত ফল হতে পারে।

বীর্য গাঢ় করার গাছান ঔষুধ এর ভিডিটি দেখতে পারেন।


আলকুশী : যৌবনে নানা প্রকার কু-অভ্যাসের ফলে অতিরিক্ত শুক্র ক্ষয়ের জন্যে মহামূল্যবান বীর্য তরল হয়ে যায়। আলকুশীর পাকা বীজ চার থেকে পাচটি আগের রাতে এক কাপ গরম দুধে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন সকালে বীজগুলোর কোসা ছাড়িয়ে শিলে মিহি করে বেটে নিয়ে সামান্য গাওয়া গিয়ে বাটা বীজকে ভেজে নেয়া দরকার। তবে ভাজাটা খুব কড়াভাবে ভাজা চলবে না। ঠান্ডা হলে েএক চামচ মিসরীগুড়া অথবা সমপরিমান চিনি মিশিয়ে দিনে একবার করে খেলে তরল বীর্য ঘন হয়ে যাবে। অন্তত বিশদিন করে খেয়ে যেতে হবে এবং পথ্য হিসেবে গরুর দুধ 250 মি.লি. থেকে 500 মি.লি ঔষুধ চলাকালীন খেয়ে যেতে হবে।

শতমুলী : দেহে যৌবন আসার সাথে কু-অভ্যাসের ফলে বীর্য পাতলা হয়ে যায়। তাছাড়া কুচিন্তা এবং কুদৃশ্য ঐসব কুভাবনা চিন্তা দৃশ্য দেখে ঘুমের মধ্যে পাতলা বীর্য সহজেই বের হয়ে যায়। শতমূলীর রস 50 মিলি লিটার একটি স্টিলের পাত্রে রেখে তাতে 100 মিলিলিটার গাওয়া ঘিয়ে দিয়ে আচে পাক করতেহবে। এ ঘি তিন গ্রাম আধা কাপ সামান্য গরম দুধের সাথে মিশিয়ে সকালে বিকেলে খেলে বীর্য গাঢ় হবে। তবে নিজেকেও কিছুটা সংযত হতে হবার চেষ্টা করতে হবে।

লতাকস্তুরী : লতাকস্তুরী বীজের গুড়া দেড় গ্রাম, এক গ্লাস ঠান্ডা পানির সাথে খেলে ধীরে ধীরে শুক্র বেড়ে যায়। তবে নিয়মিত একমাস ধরে খাওয়া উচিত। জল-যমানী (ছিলি-হিন্টি) ঃ অনেকের প্রসাবের আগে অথবা পরে প্রস্রাবের সাথে বীর্য বেরিয়ে আসে। এ অবস্থায় এ গাছের পাতা নিয়ে থেতো করে আধাপোয়া পানিতে চটকে ছেকে নিন। তারপর তাতে অল্প চিনি মিশিয়ে শরবত করে খান, বীর্য গাঢ় হবে।

বকুল ফুল : অপুষ্টিজনিত কারণে শুক্রতরল্য দেখা দিলে পাকা বকুল ফলের সিরাপ প্রতিদিন দুপুরে আহারের পর 1 চা-চামচ নিয়ে ঠান্ডা পানি মিশিয়ে 2 থেকে 3 সপ্তাহ খাবেন বীর্য গাঢ় হবে।

রসুন :  শুক্রতারল্য দেখা দিলে সামান্য গরম দুধের সাথে 1 কোয়া বা 2 কোয়া রসুন বাটা মিশিয়ে খাবেন বীর্য গাঢ়।

শিমুল গাছ :  চারা শিমুলগাছের মুল থেতো করে বা েবটে 7 থেকে 10 গ্রাম নিয়ে তার সাথে একটু চিনি মিশিয়ে দু’বেলা খেলে বীর্য গাঢ় হবে। 

     উপরে যে কোন একটি পদ্ধতি অনুসরণ করে নিয়মিত ওষুধ খেলে বীর্য গাঢ় হবে। স্বামী স্ত্রীর মধ্যে মিলন হবে অটুট, মনে আসবে শান্তি এবং টাকা বাঁচবে বাঁচবে সময়ও। ভালো লাগলে মতামত দিন। এ বিষয়ে আরও জানতে এই পিডিএফ বইটি ডাউনলোড করে পরতে পারে । ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন


Friday, April 4, 2014

বকুল ফুল দিয়ে রোগের চিকিৎসা

বকুল ফুল একটি ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন ফুল। বকুল গাছ বহুল পরিচিত। সাধারণত গ্রীষ্ককাল থেকে শুরু করে শরৎকাল পর্যন্ত এ গাছে ফুল ফোটে। দেখতে অনেক সুন্দর। বকুল গাছের ফলের গন্ধ খুবই সুন্দর। বকুল গাছের মূলের ছাল, কাঁচা ও পাকা ফল, ফুল এবং বীজ ওষুধে ব্যবহার করা হয়। বকুল ফুল এর পরিচিতি সম্পর্কে জানতে  আরো ক্লিক করুন।


বকুল দিয়ে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা :


নিচে বকুল ফুল দিয়ে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসার কথা উল্লেখ করা হল।
পুরাতন আমাশয়ে : আমাশয় পুরাতন হয়ে গেছে, কিছুতেই সারতে চাইছে না। এ অবস্থায় প্রত্যেকদিন 5-6টি করে পাকা বকুল ফলের শাস খাবেন। আমাশয় সেরে যাবে।

শুক্রতারল্যে : অপুষ্টিজনিত কারণে শুক্রতারল্য দেখা দিলে, পাকা বকুল ফলের সিরাপ প্রতিদিন দুপুরে আহারের পর ১ চা-চামচ নিয়ে ঠান্ডা পানি মিশিয়ে 2 থেকে 3 সাপ্তাহ খাবেন। যথেষ্ট উপকার পাবেন ইনশাআল্লাহ।

দাঁত পড়ায় : কাঁচা বকুলের ফল প্রতিদিন 2-3 করে চিবিয়েখেলে কিছুদিনের মধ্যেই দাঁতের গোড়া শক্ত হয় ও দাঁত নড়া ও দাঁত পড়া বন্ধ হয়।

মাথা যন্ত্রণা হলে : শুকনা বকুল ফূল চুর্ণ করে, তাকে আটভাগ করে সে আটভাগের একভাগ ফিটকিরি চুর্ণ মিশিয়ে শিশিতে ভরে রাখুন। মাথার যন্ত্রণা হলে মাঝে মাঝে এর নস্যি নিবেন। মাথা ধরা ও মাথার যন্ত্রণা কমবে।

আশা করি উপরে কথা গুলো অনুসরণ করলে আপনাদের কাজে লাগবে বলে আমি আশাবাদী।

Wednesday, April 2, 2014

রসুন এর গুনাবলী

রসুন সম্পকে কে না জানে। আর রসুনের গুনাবলীর কথা বলে শেষ করা যায় না। রসুন এমন একটি উপাদান যা দ্বারা সব রোগের চিকিৎসা করা যায়। এটি আল্লাহর বিশেষ নিয়ামত। অস্থিচ্যুতি অথ্যাৎ হাড় ভেঙ্গে গেল, হাড় সরে গেলে বিভিন্ন চক্ষুরোগে, ক্রিমি রোগে, চোখের বিভিন্ন রোগে ও রাতকানায়, বিভিন্ন প্রকার চর্মরোগে, বীর্য সম্বন্ধীয় রোগে, কুষ্ট রোগে, পালা জ্বরে, শ্বাস-শ্বাসজাতীয় রোগে, মুত্র সংক্রান্ত রোগে রসুন খুবেই উপকারী । রসুনের প্রকার ভেদ, বংশ এবং পরিচয় জানতে ক্লিক করুন।

রসুন

বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় রসুন এর ব্যবহার :


নিচে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় রসুন এর ব্যবহার

 বাতের বেদনায় : যে সকল বাত রোগ মাংসাশ্রিত, সেসব বাতগ্রস্থ রোগীকে রসুন 2 কোয়া বেটে গাওয়া ঘিয়ের সাথে খেতে দিন। ব্যথা- বেদন থাকবে না।

হাপানীতে : হাপানীর জন্য শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে খুব কষ্ট হয়, দম যেন বদ্ধ হয়ে আসার উপক্রম হয়। সে লোক কে পাচ থেকে সাত টি রসুনের রস এককাপ ঠান্ডা দুধের সাথে মিশিয়ে খেতে দিন। কষ্টটা থাকবে না।

 পুরাতন জ্বরে : এ সব জ্বর বেশি বাড়ে না। ঘুসঘুসে জ্বর হয়, জ্বর কমে গেলেও পুরোপুরি ছেড়ে যায় না। এ সব অবস্থা দেখা দিলে 1 চা-চামচ গাওয়া গিয়ে নিয়ে তাতে পাচ থেকে সাত ফোটা রসুনের রস মিশিয়ে কয়েকদিন খেতে দিন। জ্বর একবারে ছেড়ে যাবে আর আসবে না ইনশাআল্লাহ।

শরীর ক্ষয়প্রাপ্ত হতে থাকলে : খাবার অসুবিধা নেই, ঠিকমত খাওয়া ও বিশ্রাম করা সত্তেও গায়ে মাংস লাগছে না, ওজন কমে যাচ্ছে। এ অবস্থায় রসুন ২ কোয়া বেটে একপোয়া দুধের সাথে মিশিয়ে নিন,  দুধ গরম হবে। এবার রসুন বাটা মিশানো দুধ খান। কিছুদিনের মধ্যেই উপকার পাবেন।

যৌবন স্থায়ী রাখতে : পুরুষ বা নারী যদি যৌবন স্থায়ী রাখতে চান, তাহলে এক চামচ থেকে দু’চামচ আমলীর (কাচা রস নিয়ে) , তার সাথে এক কোয়া বা দু’কোয়া রসুন-বাটা মিশিয়ে খাবেন. যৌবন দীর্ঘস্থায়ী হবে। যৌবন আরম্ভ হওয়া থেকে পারলে খুবই সুফল পাবেন।

 মাথা ধরায় : অনেক সময় সর্দি না হলেও বায়ু প্রকুপিত হয়ে অনেক সময় মাথা ধরে, এ অবস্থায়গ কয়েকদিন ২ ফোটা করে রসুনের নস্য নিন। মাথা ধরায় উপকার পাবেন।

 শুক্রতারল্যে : অনেক কারণেই শুক্রতারল্য দেখা দিতে পারে। এ সমস্যা দেখা দিলে, সামান্য গরম দুধের সাথে ১ কোয়া বা ২ কোয়া রসুন বাটা মিশিয়ে খাবেন। তার ফলে অস্থিতে শক্তি সঞ্চর হবে। শরীরের ক্ষয় বন্ধ হবে ও শুক্রতারল্য থাকবে না।

বিভিন্ন জাতের রসুনের ছবি দেখতে ক্লিক করুন।

রসুন